joy9 বিশ্বাস করে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি উপায় — চাপ বা আসক্তির কারণ নয়। আমরা আমাদের প্রতিটি ব্যবহারকারীর মানসিক সুস্থতা ও আর্থিক নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন এবং দায়িত্বশীল গেমিং নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনলাইন গেমিং এবং বেটিং একটি জনপ্রিয় বিনোদন মাধ্যম। কিন্তু যখন খেলা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন এটি পরিবার, আর্থিক অবস্থা ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। joy9-এ দায়িত্বশীল খেলা মানে হলো — নিজের সীমা জেনে খেলা, বিনোদনের জন্য খেলা এবং হারানো অর্থ পুনরুদ্ধারের আশায় বারবার খেলা থেকে বিরত থাকা।
joy9-এ দায়িত্বশীল গেমিং কোনো নিয়ম নয় — এটি আমাদের মূল দর্শন। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি ব্যবহারকারী সুস্থ মানসিকতায়, পরিষ্কার মাথায় এবং নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে গেম উপভোগ করুন। তাই আমরা বিভিন্ন সুরক্ষামূলক টুল ও তথ্য সরবরাহ করি যা আপনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।
মনে রাখবেন — দায়িত্বশীল খেলা শুধু টাকার বিষয় নয়, এটি সময়েরও বিষয়। কতক্ষণ খেলছেন, কখন খেলছেন এবং কোন মানসিক অবস্থায় খেলছেন — এই বিষয়গুলো সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। joy9 এই সব বিষয়ে আপনার পাশে থাকতে সদা প্রস্তুত।
মূলনীতি: গেমিং হওয়া উচিত আনন্দের জন্য, আয়ের উৎস হিসেবে নয়। প্রতিটি বাজিতে হারার সম্ভাবনা সমান।
যদি উপরের কোনো পয়েন্টে টিক দিতে না পারেন, আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে কথা বলুন।
আমরা শুধু বিনোদন দিই না — আপনার সুরক্ষাও নিশ্চিত করি।
প্রতিদিন, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করুন। একবার সীমা নির্ধারিত হলে তা তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়। সীমা বাড়াতে গেলে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় — যা আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত রাখে।
নির্দিষ্ট সময় পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেশন শেষ হওয়ার সুবিধা চালু করুন। প্রতিটি সেশনে কতক্ষণ খেলছেন তার লাইভ ট্র্যাকার দেখতে পাবেন এবং নির্ধারিত সময় পূর্ণ হলে বিরতির রিমাইন্ডার পাবেন।
নিজেকে ১ দিন থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত বিরতি দিতে পারবেন। কুলিং অফ চলাকালীন অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে না। এই সময়ে প্রমোশনাল ইমেইলও বন্ধ থাকবে।
দীর্ঘমেয়াদী সাহায্যের প্রয়োজন হলে ৬ মাস থেকে ৫ বছর মেয়াদে স্ব-বর্জন করতে পারবেন। এই সময়কালে অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে এবং আপনার নিজে থেকে আবেদন করলেও তা বাতিল করা সম্ভব নয়।
আপনার গেমিং ইতিহাস, জয়-পরাজয়ের তথ্য ও মোট সময় — সব এক জায়গায় দেখতে পাবেন। নিয়মিত এই রিপোর্ট দেখলে নিজের অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন থাকা সহজ হয়।
যদি মনে করেন গেমিং আসক্তিতে পরিণত হচ্ছে, joy9 আপনাকে পেশাদার কাউন্সেলর ও সহায়তা সংস্থার সাথে যুক্ত করতে সাহায্য করবে। সাহায্য চাওয়াটাই সাহসের কাজ।
joy9-এ দায়িত্বশীল গেমিং নিশ্চিত করতে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন। প্রতিটি ধাপ ছোট কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে বড় পার্থক্য তৈরি করে।
গেম শুরু করার আগেই সিদ্ধান্ত নিন আজকে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ করবেন। এই বাজেট শুধুমাত্র অতিরিক্ত বিনোদন-বাজেট থেকে নিন — প্রয়োজনীয় খরচের টাকা কখনো ব্যবহার করবেন না।
কত মিনিট বা ঘণ্টা খেলবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন। ফোনে অ্যালার্ম সেট করতে পারেন বা joy9-এর সেশন টাইমার ব্যবহার করতে পারেন।
প্রতিটি বাজিতে হারার সম্ভাবনা থাকে। হারলে হতাশ হয়ে বেশি বাজি না দিয়ে সেই দিনের মতো খেলা বন্ধ করুন। "ফিরিয়ে নেওয়া"র মানসিকতা বিপজ্জনক।
প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০-১৫ মিনিট বিরতি নিন। উঠুন, হাঁটুন, পানি খান। ক্লান্ত বা মানসিক চাপের মধ্যে গেম খেলা থেকে বিরত থাকুন।
পরিবার বা বন্ধুকে জানান আপনি গেমিং করছেন। স্বচ্ছতা আপনাকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখবে এবং সীমা মেনে চলতে সাহায্য করবে।
যদি মনে হয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন, joy9-এর সাপোর্ট টিমকে জানান বা স্ব-বর্জনের আবেদন করুন। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, সাহসিকতা।
অ্যাকাউন্ট সেটিংসে গিয়ে "দায়িত্বশীল গেমিং" মেনু থেকে এই টুলগুলো সক্রিয় করতে পারবেন।
অ্যাকাউন্ট সেটিংস → দায়িত্বশীল গেমিং → ডিপোজিট লিমিট। দৈনিক/সাপ্তাহিক/মাসিক সীমা আলাদাভাবে নির্ধারণ করতে পারবেন।
৩০ মিনিট থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে রিমাইন্ডার সেট করুন। নির্ধারিত সময়ে পপ-আপ নোটিফিকেশন আসবে।
সাময়িক বিরতি দরকার হলে ১ দিন থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখুন। এই সময়ে লগইন করা সম্ভব হবে না।
দীর্ঘমেয়াদী সাহায্যের জন্য সাপোর্ট টিমকে জানান বা সরাসরি সেটিংস থেকে ৬ মাস – ৫ বছরের জন্য আবেদন করুন।
প্রতি সপ্তাহে একবার আপনার গেমিং রিপোর্ট দেখুন। মোট সময়, মোট বাজি ও লাভ-ক্ষতির পরিষ্কার বিবরণ পাবেন।
গেমিং আসক্তি ধীরে ধীরে আসে। নিচের লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে সাহায্য নিন।
বাজেটের বাইরে যাচ্ছেন? ঠিক করা বাজেটের চেয়ে বেশি খরচ হয়ে যাচ্ছে এবং পরের বার "একটু বেশি" দিয়ে দেখছেন — এটি প্রথম সতর্কচিহ্ন।
হারানো অর্থ "ফিরিয়ে আনার" চেষ্টা? হেরে যাওয়ার পর আরও বেশি বাজি দিয়ে টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছেন — এটি সমস্যার একটি বড় লক্ষণ।
পারিবারিক বা কর্মজীবনে প্রভাব? গেমিং-এর কারণে পরিবারের সাথে সময় কমে যাচ্ছে, কাজে মনোযোগ নেই বা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন।
ঋণ করে বাজি ধরছেন? প্রয়োজনীয় খরচ, সঞ্চয় বা ধার করা টাকা দিয়ে বাজি ধরছেন — এটি গুরুতর বিপদের সংকেত।
না খেললে অস্বস্তি লাগে? গেম না খেললে মেজাজ খারাপ হয়, অস্থিরতা বোধ করেন বা ক্রমাগত গেমের কথা মাথায় আসে।
গোপনে খেলছেন? পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে গেমিং-এর বিষয়টি লুকাচ্ছেন বা মিথ্যা বলছেন — এটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কচিহ্ন।
যদি উপরের দুই বা ততোধিক লক্ষণ আপনার মধ্যে দেখা যায়, দয়া করে অবিলম্বে joy9-এর সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন বা স্ব-বর্জনের আবেদন করুন। এটি সাহায্য চাওয়ার সঠিক সময়।
joy9 সম্পূর্ণরূপে ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ। আমরা নাবালকদের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিই এবং কঠোর বয়স যাচাই ব্যবস্থা মেনে চলি।
অভিভাবকরা পারিবারিক কম্পিউটারে "প্যারেন্টাল কন্ট্রোল" সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। এটি নাবালকদের অনলাইন গেমিং সাইটে প্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর।
গেমিং একটি বিনোদন কার্যক্রম, আয়ের উৎস নয়। এই মানসিকতা রাখলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
প্রতিটি বাজিতে হারার সম্ভাবনা থাকে। হারানো অর্থ "ফেরত পাওয়ার" চেষ্টা না করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
মানসিক চাপ, দুঃখ, রাগ বা অতিরিক্ত উত্তেজনার সময় গেম থেকে বিরত থাকুন।
পরিবার, বন্ধু, শখ ও কাজের সাথে সুষম ভারসাম্য রাখুন। গেমিং যেন জীবনের কেন্দ্র না হয়।
আমরা চাই আপনি নিরাপদে, আনন্দের সাথে এবং নিজের নিয়ন্ত্রণে গেম উপভোগ করুন। joy9-এ যোগ দিন এবং দায়িত্বশীল গেমিং-এর অঙ্গীকার নিয়ে শুরু করুন।
১৮+ বছর বয়সীদের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন। নিয়ম ও শর্তাবলী